1. sylhetbbc24@gmail.com : admin : Web Developer
  2. marufmunna29@gmail.com : admin1 : maruf khan munna
  3. faisalyounus1990@gmail.com : Abu Faisal Mohammad Younus : Abu Faisal Mohammad Younus
রবিবার, ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২১, ০১:৪০ অপরাহ্ন

সিনহা হত্যা: ৪ চার পুলিশসহ ৭ আসামি রিমান্ডে

  • সিলেট বিবিসি ২৪ ডট কম : আগস্ট, ১২, ২০২০, ৬:৩৮ am

  • সিলেটবিবিসি ডেস্ক :: কক্সবাজারের টেকনাফে পুলিশের গুলিতে সাবেক মেজর সিনহা মো. রাশেদ খান নিহত হওয়ার ঘটনায় তার বোনের দায়ের করা হত্যা মামলায় পুলিশের তিন সাক্ষী ও চার পুলিশ সদস্যের সাত দিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত। বুধবার (১২ আগস্ট) কক্সবাজারের একটি আদালত তাদের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

    যাদের রিমান্ড মঞ্জুর করা হয়েছে তারা হলেন- সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) লিটন মিয়া, পুলিশ কনস্টেবল সাফানুর রহমান, কামাল হোসেন ও আবদুল্লাহ আল মামুন। অন্য তিনজন হলেন- মো. নুরুল আমিন, মো. নেজামুদ্দিন ও মোহাম্মদ আয়াজ। তারা তিনজনই টেকনাফের বাহারছড়া ইউনিয়নের মারিশবুনিয়া এলাকার বাসিন্দা। এরা হত্যাকাণ্ডের পর সিনহা রাশেদ খানকে ডাকাত বলে প্রচার করেছিল।

    গত ৩১ জুলাই রাতে টেকনাফ বাহারছড়া চেকপোস্টে তল্লাশির সময় পুলিশের গুলিতে নিহত হন সেনাবাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত মেজর সিনহা মোহাম্মদ রাশেদ খান। এ ঘটনায় পুলিশ বাদী হয়ে টেকনাফ থানায় হত্যা ও মাদক আইনে এবং রামু থানায় মাদক আইনে পৃথক ৩টি মামলা করে। এ মামলায় নিহত মেজর সিনহা মো. রাশেদ খানের সঙ্গে থাকা শাহেদুল ইসলাম সিফাত ও শিপ্রা রানী দেব নাথকে গ্রেফতার দেখিয়ে কারাগারে পাঠায় পুলিশ।

    এদিকে ৫ আগস্ট নিহত সিনহার বোন শারমিন শাহরিয়া ফেরদৌস বাদী হয়ে কক্সবাজার সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে ইন্সপেক্টর লিয়াকত, ওসি প্রদীপ কুমার দাশসহ ৯ জনের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা করেন। ৬ আগস্ট কক্সবাজার সিনিয়র জুডিসিয়াল আদালতে আত্মসমর্পণ করেন বরখাস্ত ওসি প্রদীপ ও লিয়াকতসহ ৭ আসামি।

    এদিকে আদালতের নির্দেশে চারটি মামলায়ই এখন তদন্ত করছে র‌্যাব। এরইমধ্যে পুলিশের তিন মামলায় গ্রেফতার সিফাত ও শিপ্রাকে জামিনে মুক্তি দিয়েছেন আদালত।

    সিনহা হত্যাকাণ্ডে জড়িত অভিযোগে গত সোমবার (১০ আগস্ট) রাতে টেকনাফের মারিশবুনিয়া থেকে তিন বাসিন্দাকে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব, যাদের এ ঘটনায় পুলিশের করা মামলায় সাক্ষী করা হয়েছিল।

    (১১ আগস্ট) মঙ্গলবার বিকেলে কক্সবাজার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট হেলাল উদ্দিনের আদালতে হাজির করে তাদের ১০ দিনের রিমান্ড আবেদন করে র‌্যাব। আদালত র‌্যাবের আবেদন আমলে নিয়ে তিন জনকে জেল হাজতে পাঠানোর নিদের্শ দেন। একই আদেশে রিমান্ডের আবেদন শুনানির জন্য বুধবার দিন ধার্য করেন। বুধবার তাদের সাত দিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করেন আদালত।

    অন্যদিকে গত সোমবার বিকেলে মামলার তদন্তকারী সংস্থা র‌্যাবের পক্ষ থেকে কক্সবাজার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে চার পুলিশ সদস্যের ১০ দিনের রিমান্ড চেয়ে আবেদন করা হয়। যার শুনানি শেষে তাদেরও ৭ দিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করেন আদালত।

    সিলেটবিবিসি/১২আগস্ট ২০/রাকিব

    facebook comments












    © All rights reserved © 2020 sylhetbbc24.com
    পোর্টাল বাস্তবায়নে : বিডি আইটি ফ্যাক্টরী লিঃ