1. sylhetbbc24@gmail.com : admin : Web Developer
  2. marufmunna29@gmail.com : admin1 : maruf khan munna
  3. faisalyounus1990@gmail.com : Abu Faisal Mohammad Younus : Abu Faisal Mohammad Younus
শুক্রবার, ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২১, ১২:৩৫ পূর্বাহ্ন

সাতছড়ি উদ্যানে হরিণ শিকার, উদ্ধার করে বন কর্মকর্তাদের মাংস ভাগাভাগি

  • সিলেট বিবিসি ২৪ ডট কম : আগস্ট, ৯, ২০২০, ১১:৩৮ am

  • প্রতিনিধি,হবিগঞ্জ :: হবিগঞ্জের চুনারুঘাট উপজেলার সাতছড়ি জাতীয় উদ্যান থেকে একটি হরিণ শিকার করেছে একদল শিকারী। এ সময় হরিণটি জবাই করে মাংস ভাগাভাগির সময় খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছে মাংস উদ্ধার করে নিয়ে আসে বন বিভাগ। এসময় কাউকে গ্রেফতার না করার শর্তে ২০ হাজার টাকার বিনিময়ে বিষয়টি ধামাচাপা দেয় বনবিভাগ।

    বন বিভাগ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বৃহস্পতিবার দুপুরে সাতছড়ি জাতীয় উদ্যানের রামগঙ্গা চা বাগানের পাতিঘরের উত্তর দিকের বনে থেকে কাটুরিয়া বিফল বাড়াইক একটি মায়া হরিণ গাছের লতাপাতায় আটকে থাকতে দেখেন। এ সময় তিনি হরিণচিকে উদ্ধার করে নিয়ে আসেন। রাতে হরিণ জবাই করে মাংস ভাগাভাগির সময় খবর পেয়ে সাতছড়ি রেঞ্জের বিট কর্মকর্তা সামসুদ্দিন রুমির নেতৃত্বে একদল বনকর্মী ঘটনাস্থলে যায়। এসময় বিফলের বাড়ি থেকে হরিণের মাথা ও প্রায় ৭ কেজি মাংস উদ্ধার করে নিয়ে অসে বন বিভাগের কর্মকর্তারা। এসময় কাউকে গ্রেফতার বা মামলা করা হবে না বলে বিফলের কাছ থেকে ২০ হাজার টাকা নিয়ে আসে বন কর্মকর্তারা।

    শনিবার বিকেলে বিষয়টি জানাজানি হলে বেকায়দায় পড়ে যায় বনবিভাগ। এ সময় হরিন শিকারি বিফল বাড়াইক ও তার ছেলে গনেশ বাড়াইক বলেন- ‘হরিণটি আধা-মরা অবস্থায় আমরা পাই। তাই জবাই করে বাড়ি নিয়ে আসি। রাতে বনবিভাগের লোকজন এসে মাংস নিয়ে যায় এবং আমাকে গ্রেফতার করা হবে না বা মামলা না দেয়ার শর্তে ৩০ হাজার টাকা দাবী করে। পরে আমি রাতেই গরু বিক্রি করে ২০ হাজার টাকা তাদের দেই।

    এ ব্যাপারে রামগঙ্গা বাগানের চৌকিদার কালু জানায়, দুপুরে বাগানের উত্তর দিকের বনবিভাগের এলাকা থেকে হরিণটি শিকার করা হয়। রাতে হরিণ জবাই করে মাংস ভাগাভাগির সময় খবর পেয়ে বন বিভাগের লোকজন হরিণের মাথা ও মাংস উদ্ধার করে নিয়ে যান।

    এদিকে, শনিবার বিকেলে বিষয়টি জানাজানি হলে বেকায়দায় পড়ে যায় বন বিভাগ। সাংবাদিকদের চাপের মূখে শনিবার রাতে সাতছড়ি রেঞ্জের বিট কর্মকর্তা সামছুদ্দিন বাদি হয়ে বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ আইনে মামলা দায়ের করেন।

    এ ব্যাপারে বনবিভাগের তেলমাছড়া বিট কর্মকর্তা মাহমুদ হোসেন বলেন- ‘হরিণের মাথা ও মাংস উদ্ধারের পর বিভাগীয় বনকর্মকর্তার নির্দেশে তা পুড়িয়ে নষ্ট করা হয়। এনিয়েও ধুম্রজাল দেখা দিয়েছে। কারণ একটি সুত্র জানায়, মাংস উদ্ধারের পর তা বন বিভাগ ঘটনাটি ধামাচাপা দিতে চেষ্ঠা করে এবং মাংস ভাগ করে নিয়ে নেয়।’

    চুনারুঘাট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও সহ-ব্যবস্থাপনা কাউন্সিলের সভাপতি সত্যজিত রায় দাশ জানান- তিনি এ বিষয়ে কোন কিছু জানেন না। তবে খোঁজ নিয়ে দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণের কথা জানান তিনি।

    সিলেটবিবিসি/ ৯ আগস্ট ২০/রাকিব

    facebook comments












    © All rights reserved © 2020 sylhetbbc24.com
    পোর্টাল বাস্তবায়নে : বিডি আইটি ফ্যাক্টরী লিঃ