1. sylhetbbc24@gmail.com : admin : Web Developer
  2. marufmunna29@gmail.com : admin1 : maruf khan munna
  3. faisalyounus1990@gmail.com : Abu Faisal Mohammad Younus : Abu Faisal Mohammad Younus
রবিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২১, ১০:৫৪ অপরাহ্ন

শিশু সামিউল হত্যা, মা ও মায়ের কথিত প্রেমিকের মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে আদালত

  • সিলেট বিবিসি ২৪ ডট কম : ডিসেম্বর, ২০, ২০২০, ৯:০৬ am

  • রাজধানীর আদাবরে শিশু খন্দকার সামিউল আজিম ওয়াফি (৫) হত্যা মামলায় মাসহ দুই আসামিকে মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন আদালত।

    রোববার দুপুরের দিকে ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৪-এর বিচারক শেখ নাজমুল আলম এই মামলার রায় ঘোষণা করেন।

    মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত দুই আসামি হলেন শিশু সামিউলের মা আয়েশা হুমায়রা ওরফে এশা (২৫) ও তার কথিত প্রেমিক শামসুজ্জামান বাক্কু (৩৮)। আসামি হুমায়রা ও শামসুজ্জামান জামিন নিয়ে পলাতক রয়েছেন। তাদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি রয়েছে।

    নবোদয় হাউজিংয়ের গ্রিনউড ইন্টারন্যাশনাল স্কুলের প্লে গ্রুপের ছাত্র ছিল সামিউল। মায়ের ‘পরকীয়া’র জেরে ২০১০ সালের ২৩ জুন রাতে আদাবরে নিজেদের বাসায় সে খুন হয়।

    মামলার বিবরণে বলা হয়, বাক্কু ও এশার ‘প্রেমের সম্পর্ক’ দেখে ফেলায় সামিউলকে শ্বাসরোধে হত্যা করা হয়। এরপর লাশ বস্তায় ভরে ফেলে রাখা হয় আদাবরের নবোদয় হাউজিংয়ে সামিউলদের বাসার পাশে। লাশ উদ্ধারের পর সামিউলের মা এশা এবং তার প্রেমিক বাক্কুকে আসামি করে আদাবর থানায় হত্যা ও লাশ গুমের অভিযোগে মামলা করেন সামিউলের বাবা কে আর আজম।

    গ্রেপ্তার হওয়ার পর দুই আসামিই আদালতে দায় স্বীকার করে জবানবন্দি দিয়েছিলেন বলে সে সময় পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছিল।

    ২০১১ সালের ২৫ অক্টোবর তদন্ত কর্মকর্তা আদাবর থানার ওসি কাজী শাহান হক এ মামলায় বাক্কু ও এশার বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। পরের বছর ১ ফেব্রুয়ারি ওই দুজনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে আদালত। এর সাত দিনের মাথায় আদালতে বাদী আজমের জবানবন্দি ও জেরা গ্রহণের মধ্য দিয়ে এ মামলার সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু হয়।

    এদিকে ২০১৪ সালে মামলার বাদী কে আর আজম থানায় একটি জিডি করেন। সেখানে বলা হয়, হাই কোর্ট থেকে জামিনে বেরিয়ে বাক্কু তাকে হুমকি দিচ্ছেন, মামলা চালানো বন্ধ না করলে ‘ছেলের মতো তাকেও মেরে ফেলা হবে’।

    ওই বছরই আদালতে আবেদন করে স্ত্রীর জামিন করিয়েছিলেন আজম, পরে কিছুদিন স্ত্রীর সঙ্গে ঘরও করেছিলেন তিনি। কিডনি জটিলতায় আক্রান্ত আজম মামলার বিচার প্রক্রিয়া চলার মধ্যেই মারা যান। মৃত্যুর আগে ২০১৫ সালের নভেম্বরে মামলার গতিপ্রকৃতি নিয়ে হতাশা প্রকাশ করেছিলেন তিনি।

    এ মামলার বিচার চলাকালে মোট ২২ জনের সাক্ষ্য নেওয়া হয়। গত ২৩ নভেম্বর যুক্তিতর্ক শুনানি শেষে মামলাটি রায়ের পর্যায়ে আসে।

    সিলেটবিবিসি/রাকিব/ডেস্ক/ডিসেম্বর২০,২০২০

    facebook comments












    © All rights reserved © 2020 sylhetbbc24.com
    পোর্টাল বাস্তবায়নে : বিডি আইটি ফ্যাক্টরী লিঃ