1. sylhetbbc24@gmail.com : admin : Web Developer
  2. marufmunna29@gmail.com : admin1 : maruf khan munna
  3. faisalyounus1990@gmail.com : Abu Faisal Mohammad Younus : Abu Faisal Mohammad Younus
বুধবার, ১২ মে ২০২১, ১২:৫২ পূর্বাহ্ন

জেলা ছাত্রদল সভাপতি সুমনের বিরুদ্ধে জালিয়াতির মাধ্যমে পদবী বন্টনের অভিযোগ

  • সিলেট বিবিসি ২৪ ডট কম : সেপ্টেম্বর, ২৪, ২০২০, ১০:৩৬ am

  • নিজস্ব প্রতিবেদক:: নিজ বলয় বড় করতে অযোগ্য, অশিক্ষিত, ছাত্রশিবির, ছাত্র মজলিস, বিবাহিত ও বহিরাগতদের দিয়ে কমিটি অনুমোদন দেয়ার অভিযোগ উঠেছে সিলেট জেলা ছাত্রদলের সভাপতি আলতাফ হোসেন সুমনের উপর।

    আলতাফ হোসেন সুমন ছাত্রদলের সভাপতি হওয়ার পর থেকেই বিভিন্নভাবে বিতর্কিত ছিলেন। সভাপতি নির্বাচিত হওয়ার পর নিজ দলের নেতাকর্মীরা তাকে অযোগ্য ঘোষণা করে কয়েকজন নেতা কমিটিতে থেকে পদত্যাগ করেন। এছাড়া বেশ কয়েকজন কমিটি থেকে বঞ্চিত ত্যাগী নেতাকর্মী তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন অভিযোগ শুরু করেন, এমনকি তারা আলতাফ হোসেনকে মৎস ব্যবসায়ী উল্লেখ করে ছাত্রদলের সভাপতি হওয়ার অযোগ্য বলে মিছিল-মিটিং করেন।

    আলতাফ হোসেন সুমন ছাত্রদলের সভাপতি হয়েই গ্রুপিং রাজনীতির শুরু করেন। নিজের গ্রুপ বড় করতে জেলার বিভিন্ন উপজেলায় নিজ বলয়ের মাঝে পদবী বণ্টন করেন। মোটা অংকের টাকা লেনদেনের মাধ্যমে অছাত্র ও বহিরাগতদের দিয়ে কমিটি অনুমোদনসহ গঠনতন্ত্র বিরোধী নানা অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এসব অভিযোগ করেছেন ছাত্রদলের পদবঞ্চিত নেতারা।

    এরই মধ্যে কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের সভাপতি-সাধারণ সম্পাদক ও ছাত্রদলের সিলেট বিভাগীয় সাংগঠনিক টিমের কাছে একাধিক লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন পদবঞ্চিত ত্যাগী ও নির্যাতিত নেতারা।এবার অভিযোগ উঠেছে আলতাফ হোসেন সুমনের নিজ এলাকা সদর উপজেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক কমিটি নিয়ে। এ কমিটিতে আহ্বায়ক করা হয়- মোঃ আবু শাইদ শাহীনকে। ভোটার আইডি অনুযায়ী তার পিতার নাম- মো. আব্দুল হাসিম ও মাতার নাম: নেহার বেগম।

    কিন্তু ছাত্রদলের সিভিতে তার প্রদানকৃত সার্টিফিকেটে নাম দেখা যায়- মোঃ শাহীন আহমদ, পিতা- আকবর আলী, মাতা- ফাতেমা বেগম।ভোটার আইডি ও এসএসসি সার্টিফিকেটে মোঃ আবু শাইদ শাহীনের নাম, পিতা ও মাতার নামের কোন মিল নেই। কাজেই স্পষ্ঠ বুঝা যাচ্ছে- শাহীন আহমদ নামে অন্য কেউর সার্টিফিকেট জালিয়াতি করে নিজের পদবীর জন্য তা ব্যবহার করেছেন।

    জেলা ছাত্রদলের সভাপতি আলতাফ হোসেন সুমন তার বলয় বড় করতে ভূয়া সার্টিফিকেট দিয়েই কোন যাচাই বাছাই না করে কমিটিতে শাহীনকে আহ্বায়ক করে দেন। এমন অভিযোগ পাওয়া যায়।

    নাম প্রকাশ না করার শর্তে সিলেট মহানগর ছাত্রদ্লের এক নেতা সিলেটবিবিসিকে জানান, সিলেট ছাত্রদলের এমন ভিত্তিহীন বিভিন্ন কমিটি গঠনের নেপথ্যে কাজ করছেন আলতাফ হোসেন সুমন এবং যুবদলের এক সদস্য সচিব। আলতাফ হোসেন সুমন এবং যুবদলের ঐ সদস্য সচিবের যোগসাজশেই চলছে পদবী বন্টনের কাজ। নিজ বলয় বাড়াতে এবং কমিটিতে জালিয়াতির মাধ্যমে পদবী দিয়ে এই দুই নেতা হাতিয়ে নিয়েছেন বিপুল পরিমাণ টাকা।

    এ ব্যাপারে সদর উপজেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক মোঃ আবু শাইদ শাহীন বলেন, তিনি বর্তমানে উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ে একাদশ শ্রেণিতে অধ্যায়নরত আছেন। আর ২০০৫ সালে এসএসসি পাশ করেছেন। একজন মানুষের ভোটার আইডি কার্ড ও সার্টিফিকেট আলাদা আলাদা নাম, দুজন পিতা ও দুজন মাতা হয় কীভাবে, তিনি কোন আইডেন্টিফাই ব্যবহার করছেন এমন প্রশ্নের কোন জবাব তিনি না দিয়েই ফোন কেটে দেন। এরপর বারবার ফোন দিলে তিনি আর ফোন রিসিভ করেননি।

    টিক একইভাবে জালিয়াতির মাধ্যমে গোয়াইনঘাট উপজেলা, কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা,বিয়ানীবাজার উপজেলা, পৌর, ঢাকা দক্ষিন কলেজ, ওসমানীনগর উপজেলা, বালাগঞ্জ উপজেলা, ফেন্সুগঞ্জ উপজেলা, জৈন্তাপুর উপজেলা সহ বিভিন্ন উপজেলায় মোটা অংকের টাকার বিনিময়ে অছাত্র ও বহিরাগতদের অনুমোদনসহ গঠনতন্ত্র বিরোধী নানা অভিযোগ রয়েছে মকসুদ -সুমনের বিরুদ্ধে। এসব অভিযোগ করছেন ছাত্রদলের পদ বঞ্চিত নেতারা।

    এ ব্যাপারে সিলেট জেলা ছাত্রদলের সভাপতি আলতাফ হোসেন সুমন বলেন, আমি এ ঘটনার ব্যাপারে অবগত ছিলাম না। এখন জেনেছি, তদন্ত করে ব্যবস্থা নেবো।

    সিলেটবিবিসি/ ২৪ সেপ্টেম্বর ২০/ রাকিব

    facebook comments












    © All rights reserved © 2020 sylhetbbc24.com
    পোর্টাল বাস্তবায়নে : বিডি আইটি ফ্যাক্টরী লিঃ