1. sylhetbbc24@gmail.com : admin : Web Developer
  2. marufmunna29@gmail.com : admin1 : maruf khan munna
  3. faisalyounus1990@gmail.com : Abu Faisal Mohammad Younus : Abu Faisal Mohammad Younus
বুধবার, ১২ মে ২০২১, ০২:৪৩ পূর্বাহ্ন

বাহুবলে কলেজছাত্রের হাত-পা বেঁধে মধ্যযুগীয় কায়দায় নির্যাতন

  • সিলেট বিবিসি ২৪ ডট কম : নভেম্বর, ২, ২০২০, ৫:১৪ am

  • হবিগঞ্জের বাহুবলে দেখা করার কথা বলে প্রেমিককে ডেকে নিয়ে খুঁটিতে বেঁধে মধ্যযুগীয় কায়দায় নির্যাতন করেছেন প্রেমিকার স্বজনরা। শুধু তাই নয়, নির্যাতনের ভিডিও করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ভাইরাল করে দিয়েছেন তারা।

    রোববার (১ নভেম্বর) বিকেলে নির্যাতনের ভিডিওটি ভাইরাল হলে জেলাজুড়ে তোলপাড় শুরু হয়।

    ফেসবুকে ভাইরাল হওয়া ভিডিওতে দেখা যায়, কয়েকজন লোক ফয়সল মিয়া নামে ওই যুবককে হাত-পা বেঁধে নির্যাতন করছে। এ সময় ফয়সল বাঁচার জন্য আকুতি করছেন এবং বারবার আল্লাহ অল্লাহ বলে চিৎকার করছেন। কিন্তু এরপরও চলে বর্বর নির্যাতন।

    ফয়সল জেলার চুনারুঘাট উপজেলার হাসেরগাঁও গ্রামের আহসান উল্ল্যার ছেলে। সে হবিগঞ্জ বৃন্দাবন সরকারি কলেজের অনার্স (গণিত বিভাগ) চতুর্থ বর্ষের ছাত্র। সে কোরআনের হাফেজ বলেও জানা গেছে।

    এদিকে, গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে প্রথমে হবিগঞ্জ সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হলে চিকিৎসকের পরামর্শে উন্নত চিকিৎসার জন্য সিলেট ওসমানি মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়।

    সূত্রে জানা যায়- জেলার বাহুবল উপজেলার দ্বিমুড়া গ্রামের আব্দুল হাইয়ের মেয়ে মাহফুজা আক্তার লিজার সাথে প্রেমের সম্পর্ক ছিল ফয়সল মিয়ার। শুক্রবার (৩০ অক্টোবর) রাতে লিজা তার প্রেমিক ফয়সলকে দেখা করার কথা বলে তার বাড়ির কাছে নিয়ে যায়। রাতে ফয়সল সেখানে গেলে লিজার স্বজনরা চোর আখ্যা দিয়ে ফয়সলকে আটক করে। পরে খুঁটিতে হাত-পা বেঁধে মধ্যযুগীয় কায়দায় তার ওপর নির্যাতন চলানো হয়। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে ফয়সলকে উদ্ধার করে হবিগঞ্জ সদর আধুনিক হাসপাতালে প্রেরণ করেন। পরে সেখান থেকে চিকিৎসকরা তাকে সিলেট ওসমানি মেডিকেল কলেজে প্রেরণ করেন।

    এ ব্যাপারে নির্যাতনের শিকার ফয়সলের বাবা আহসান উল্ল্যার বলেন- ‘লিজা আমার ছেলেকে মোবাইল ফোনে তাদের বাড়ির পাশে নিয়ে যায়। পরে তার স্বজনরা আমার ছেলেকে বেঁধে এমন বর্ববর নির্যাতন করেছে। এ ব্যাপারে আমরা মামলা দায়েরের প্রস্তুতি নিচ্ছি।’

    ফয়সলের বোন মোছা. হানিফা আক্তার বলেন- ‘বর্তমানে সে মানসিক ভারসাম্যহীন হয়ে পড়েছে। কাউকে চিনতে পারছে না। প্রতিনিয়ত তার অবস্থার অবনতি হচ্ছে।’

    এ ব্যাপারে বাহুবল থানার ওসি তদন্ত আলমগীর কবির বলেন- ‘আমরা প্রাথমিক তদন্তে জানতে পেরেছি ছেলেটি মেয়েটিকে পছন্দ করত। কিন্তু মেয়েটি ছেলেটিকে পছন্দ করত না। ঘটনার দুইদিন আগে নির্যাতনের শিকার ছেলেটি মিষ্টি নিয়ে মেয়ের বাড়িতে যায়। এ সময় মেয়ের পরিবারের লোকজন তাকে বাড়ি থেকে বের করে দেয়। কিন্তু এরপরও ছেলেটি মেয়েকে উত্ত্যক্ত করত। ঘটনার দিন ছেলেটি মেয়ের বাড়ির সামন দিয়ে হাটাহাটি করছিল। এ সময় মেয়ের স্বজনরা তাকে ধরে হাত-পা বেঁধে মারপিট করে।’

    তিনি বলেন- ‘এ ঘটনায় এখন নির্যাতিত পরিবারের পক্ষ থেকে কোন লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি। অভিযোগ পেলে ব্যবস্থা নেয়া হবে।’

    সিলেটবিবিসি/রাকিব/ডেস্ক/নভেম্বর ০২,২০২০

    ভিডিও দেখতে ক্লিক করুন

    facebook comments












    © All rights reserved © 2020 sylhetbbc24.com
    পোর্টাল বাস্তবায়নে : বিডি আইটি ফ্যাক্টরী লিঃ