1. sylhetbbc24@gmail.com : admin : Web Developer
  2. marufmunna29@gmail.com : admin1 : maruf khan munna
  3. faisalyounus1990@gmail.com : Abu Faisal Mohammad Younus : Abu Faisal Mohammad Younus
বুধবার, ১২ মে ২০২১, ০২:০৬ পূর্বাহ্ন

আজমিরীগঞ্জে ৪৫ লাখ টাকার গুচ্ছগ্রাম প্রকল্প, হস্তান্তরের আগেই ভেঙে যাচ্ছে

  • সিলেট বিবিসি ২৪ ডট কম : আগস্ট, ১৩, ২০২০, ৬:২৩ pm

  • রুজেল আহমেদ, আজমিরীগঞ্জ :: হবিগঞ্জের আজমিরীগঞ্জ ১ নং সদর ইউনিয়নে হস্তান্তরের আগেই নষ্ট হয়ে যাচ্ছে ভূমিহীনদের জন্য ৪৫ লাখ টাকা ব্যয়ে বাস্তবায়ন হওয়া গুচ্ছগ্রাম প্রকল্পের ৩০ টি ঘর। এজন্য নির্মাণ কাজে অনিয়ম এবং সংশ্লিষ্ট দপ্তরের উদাসিনতাকে দায়ি করছেন স্থানীয়রা। প্রকল্প শেষ হওয়ার ১ বছর অতিবাহিত হওয়ার পরও এখনও চুড়ান্ত তালিকা তৈরী হয়নি উপকারভোগিদের।যার ফলে অযত্নে অবহেলায় থেকে নষ্ট হচ্ছে এসব স্থাপনা।

    জানা যায়, আজমিরীগঞ্জ ১ নং সদর ইউনিয়নের ২০১৮-১৯ অর্থ বছরে ভূমি মন্ত্রনালয় থেকে গুচ্ছগ্রাম দ্বিতীয় পর্যায় (সিবিআরপি) প্রকল্প অনুমোদন হয়। জেলা প্রশাসকের অনুকুলে ৪৫ লাখ টাকার বরাদ্ধ আসে ২০১৮ ইং সনের ৩০ সেপ্টেম্বর। পরে সরাসরি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে ওই টাকার চেক প্রদান করেন জেলা প্রশাসক। প্রকল্পের আওতায় ছিলো ৩০ টি ঘর ঘাটলা ও টিউবওয়েল নির্মাণ। এদিকে চেক পাওয়ার পর এক বছরের মধ্যেই সমাপ্ত হয় ১ নং সদর ইউনিয়নের বিরাট গ্রামের পার্শ্ববর্তী স্থানে “কুশিয়ারা গুচ্ছগ্রাম” প্রকল্পের কাজ। কিন্তু নির্মান কাজ শেষ হলেও এখনও হয়নি ভুমিহীনদের চুড়ান্ত তালিকা।

    সরেজমিনে দেখাযায়, অযত্নে অবহেলায় থেকে অধিকাংশ ঘরের সিমানা প্রাচীর ধ্বসে পড়েছে। ভিট থেকে সড়ে গেছে মাটি। প্রায় অকেজো হয়ে পড়েছে টয়লেট গুলো। এভাবে আর কিছুদিন পড়ে থাকলে একেবারে অকেজো হয়ে যাবে বলে জানান আশপাশের বাসিন্দারা।

    এ ব্যপারে উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মোহাম্মদ আলী বলেন, বরাদ্ধ আসলে “কুশিয়ারা গুচ্ছগ্রাম” প্রকল্প কমিটি গঠন করা হয়। যার সভাপতি ছিলেন তৎকালীন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা। নির্দিষ্ট সময়ে নির্মাণ কাজ শেষ হয়েছে,তবে তালিকা চুড়ান্ত না হওয়ার কারনে এখনও হস্তান্তর করা সম্ভব হচ্ছেনা। এজন্য ঘরগুলো দিনদিন নষ্ট হয়ে যাচ্ছে।
    নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক সরকারি কর্মকর্তা বলেন, ঘর পাওয়ার জন্য ৪শ’ জন ভুমিহীন আবেদন করেছেন। কিন্তু স্থানীয় ইউনিয়ন চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে ভূমিহীনদের কাছ থেকে টাকা নিয়ে তালিকা তৈরীর অভিযোগ উঠেছে। যে কারণে এখনও চুড়ান্ত তালিকা হয়নি।

    এলাকাবাসী জানান, নির্মাণ কাজে ব্যবহার করা হয়েছে নিম্নমানের সামগ্রী। দীর্ঘদিন ব্যবহার না করায় এবং গাইড ওয়ালের নিচে বেইজ না থাকায় ঘরগুলোর চারপাশ ধ্বসে পড়ে নষ্ট হচ্ছে। এজন্য সংশ্লিষ্ট দপ্তরের দৃষ্টি আকর্ষণ করছে স্থানীয় গ্রামবাসীরা।

    এদিকে টাকা নেয়ার বিষয়কে মিথ্যা বলে ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোঃ আব্দুল কুদ্দুছ সেন বলেন, তালিকা প্রনয়নে কেন বিলম্ব হচ্ছে তা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বলতে পারবেন। তিনি মাইকিং করে তালিকা তৈরীর বিষয়ে জনগনকে জানিয়েছিলেন।

    এবিষয়ে নবাগত উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ মতিউর রহমান খাঁন বলেন, পূর্ববর্তী উপজেলা নিবার্হী কর্মকর্তা তালিকা যাচাই-বাছাইয়ের কাজ করেছিলেন। আমি দায়িত্ব গ্রহনের পর বন্যা চলে আসায় এ প্রকল্পের কাজ করা সম্ভব হয়নি। তালিকা চুড়ান্তে দ্রুত পদক্ষেপ গ্রহন করা হবে বলেও জানিয়েছেন তিনি।

    সিলেটবিবিসি/১৪ আগস্ট ২০/রাকিব

    facebook comments












    © All rights reserved © 2020 sylhetbbc24.com
    পোর্টাল বাস্তবায়নে : বিডি আইটি ফ্যাক্টরী লিঃ